নতুন মৌসুমে তুলা উৎপাদন বাড়াবে ব্রাজিল

ব্রাজিলের কৃষি সম্প্রসারণ অঞ্চলে কৃষকরা নতুন মৌসুমে ভুট্টা চাষ কমিয়ে তুলা উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন।

ব্রাজিলের কৃষি সম্প্রসারণ অঞ্চলে কৃষকরা নতুন মৌসুমে ভুট্টা চাষ কমিয়ে তুলা উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন। গত মৌসুমে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে বিশ্বের শীর্ষ তুলা রফতানিকারক হিসেবে জায়গা করে নেয়ার পর এ প্রবণতা দেখা দিয়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

কৃষিগোষ্ঠী এগ্রিকোলা শ্মিটের অংশীদার মোইসেস/ময়েজ শ্মিট বলেন, ‘‌ব্রাজিলের বাহিয়া রাজ্যের পশ্চিম অংশে লুইস এডুয়ার্দো মাগালহেসের আশপাশের বিস্তৃত অঞ্চলগুলোয় তুলা চাষ ক্রমে বিস্তার লাভ করছে। এ অঞ্চলে সেরাদো" (সাভানা) জলবায়ু বিদ্যমান। এ অঞ্চলে ভেজা ও শুষ্ক মৌসুম রয়েছে। আর এমন বৈশিষ্ট্যর কারণে তুলা চাষের জন্য এটিকে স্বাভাবিক সম্প্রসারণ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।’

মোইসেস/ময়েজ শ্মিট জানান, বাহিয়া রাজ্যের সেরাদো অঞ্চলে তাদের প্রতিষ্ঠানটি গত বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি তুলা চাষের পরিকল্পনা করেছে।

গোষ্ঠীটি বাহিয়ায় প্রায় ৩৫ হাজার হেক্টর (৮৬ হাজার ৪৯০ একর) জমিতে চাষাবাদ করে, যা মাতোপিবা (মারানহাও, টোকান্টিনস, পিয়াউই ও বাহিয়া) নামে পরিচিত নতুন সীমান্ত গঠনকারী রাজ্যগুলোর একটি।

খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, ব্রাজিল বৈশ্বিক তুলা বাণিজ্যে তার অংশীদারত্ব বাড়াবে—বাহিয়ায় এ প্রবণতা তার প্রমাণ।

এছাড়া সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দেশটি সয়াবিন ও ভুট্টা রফতানিতে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। ব্রাজিল বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম কফি ও চিনি রফতানিকারক দেশ।

উল্লেখ্য সেরাদো ব্রাজিলের একটি বিশাল ক্রান্তীয় সাভানা অঞ্চল, যা প্রায় ২০ লাখ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। এটি ব্রাজিলের মোট ভূমির প্রায় ২২ শতাংশ অংশ দখল করে আছে। অ্যামাজনের পর এটি ব্রাজিলের দ্বিতীয় বৃহত্তম জীববৈচিত্র্য অঞ্চল। অঞ্চলটি বর্তমানে সয়াবিন, ভুট্টা, তুলা, কফি ও গবাদিপশু পালনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

আরও